ইউটিউব থেকে কিভাবে টাকা আয় করা যায় সিক্রেট টিপস?

কিভাবে ইউটিউব থেকে টাকা আয় করা যায়? বঙ্গ জার্নাল

কিভাবে ইউটিউব থেকে টাকা আয় করা যায়?

ইউটিউব থেকে টাকা আয়ের উপায়?

সময়ের সাথে সাথে অর্থ উপার্জনের উপায়ও পাল্টেছে। এখন সেই যুগ নেই যখন স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি নিয়ে চাকরি খুঁজতে হতো। এখন সময় বদলেছে, এখন ঘরে বসেও অনেক টাকা আয় করা যায়। আপনি যদি সেই লোকদের মধ্যে একজন হতে চান তাহলে এই পোস্টি মনোযোগ দিয়ে পড়ুন । আসলে কম্পিউটার এবং ইন্টারনেট যেভাবে আমাদের জীবনে বৈপ্লবিক পরিবর্তন এনেছে,

ঠিক একইভাবে বিনোদন ও তথ্যের ক্ষেত্রেও এসেছে অনেক পরিবর্তন। আজ ইউটিউব বিশ্বের বৃহত্তম ভিডিও শেয়ারিং প্ল্যাটফর্মে পরিণত হয়েছে। যেখানে ইউটিউব বদলে দিয়েছে ইনফোটেইনমেন্টের সংজ্ঞা, ঠিক একই ভাবে ইউটিউব দিয়েছে কোটি কোটি মানুষকে আয়ের সুযোগ। আজ ইউটিউব একটি আয়ের মাধ্যম হয়ে উঠেছে। আপনিও যদি Youtube থেকে আয় করতে চান, তাহলে জেনে নিন কিভাবে আপনি Youtube এ লাখ লাখ টাকা আয় করতে পারেন।

ইউটিউব থেকে কিভাবে টাকা আয় করা যায়?

ইউটিউব থেকে ইনকামের অনেক সোর্স রয়েছে। এখান থেকে আপনি বিভিন্নভাবে ইনকাম করতে পারবেন। তবে ইউটিউব থেকে ইনকামের মেইন সোর্স হচ্ছে

১। গুগল অ্যাডসেন্সে  আপনার চ্যানেলে মনেটাইজ এর কন্ডিশন পুরণ হলে আপনি এডসেন্স থেকে ইনকাম করতে পারবেন। এই কন্ডিশনটি সম্পর্কে আমরা পরবর্তীতে আলোচনা করবো।এখন আপনি বলতে পারেন এডসেন্স কি? এখান থেকে কিভাবে ইনকাম হয়? এডসেন্স হচ্ছে গুগলের একটি বিজনেস মাধ্যম। এখানে গুগল বিভিন্ন কোম্পানির এড নিয়ে তা বিভিন্ন সাইট,

👉 আপনার জন্যেঃ ইউটিউব কি? জেনে নিন ক্লিক করে।

আাপস কিংবা ইউটিউব ভিডিওর মাধ্যমে সকলের কাছে প্রচার করে। আপনি যখন ইউটিউবে মনেটাইজ পাবেন তখন আপনার ভিডিওতে গুগলের এডসেন্স থেকে এডস শো হবে এবং সেই এডসে যদি কেউ ক্লিক করে তাহলে আপনি সেখান থেকে একটি প্রফিট আপনার একাউন্টে পেয়ে যাবেন।এডস ভিউ হলেও সামান্য কিছুটা প্রফিট পাবেন তবে ক্লিক করলেই মুলত ইনকামটি হয়। এছাড়াও আরও অনেক ইনকাম সোর্স রয়েছে, তার মধ্যে অন্যতম হচ্ছে স্পন্সর।

2. স্পন্সর হচ্ছে কেউ আপনার ভিডিওর মাধ্যমে তার চ্যানেল, সাইট, আপস কিংবা কোন প্রডাক্ট রিভিউ করতে বলবে এর বিনিময়ে তারা আপনাকে কিছু ডলার/টাকা দিবে।  এর পর আপনি বিভিন্ন ই-কমার্স সাইটে

3.আফিলিয়েট মার্কেটিং বিভিন্ন ই-কমার্স সাইটে আফিলিয়েট একাউন্ট করে, তাদের প্রডাক্টের আাফিলিয়েট লিংক আপনার ভিডিও ডিসক্রিপশনে দিতে পারেন। এর ফলে সেখানে ক্লিক করে কেউ সেই প্রভাক্টটি ক্রয় করলে আপনি একটি প্রফিট সেখান থেকে পাবেন।

৪। লোকাল বিসনেস অফার  কোন বিজনেস থাকলে তা আপনার ভিডিওর মাধ্যমে প্রচার কিংবা কোন প্রভাক্ট সেল করেও ইনকাম করতে পারেন। আপনি ইউটিউবে একটি ভালো পর্যায়ে যেতে পারলে অনেকেই আপনার থেকে তাদের বিশেষ বিশেষ কাজগুলো করার জন্য অফার করতে পারে। এর মাধ্যমেও আপনি একটি ভালো পরিমান ইনকাম করতে পারেন।

👉 আপনার জন্যেঃ ইউটিউব কে আবিস্কার করছে জানতে ক্লিক করুন

৫। অনলাইনে কোর্স অফার  আপনি চাইলে আপনার যেকোনো অনলাইন অভিজ্ঞতা কোর্স আকারে সেল করতে পারেন । 

এছাড়াও আপনি তখন চাইলেই যেকোন বিজনেস দাঁড় করাতে পারবেন। আপনি কোন প্রডাক্ট যদি কাউকে নিতে বলেন কিংবা কোন সাইট ঘুরে আসতে বলেন তাহলে অধিকাংশ মানুষই আপনার সেই কাজটি করবে। আশা করি ইউটিউব থেকে ইনকামের অনেকগুলোবিষয় সম্পর্কে আপনারা জেনে গেছেন।

কোন বিষয়ে ইউটিউবিং করবেন?

এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। যে, আপনি কোন বিষয়ে ইউটিউবিং করবেন। ইউটিউবে অসংখ্য ক্যাটেগরি আছে, এর মধ্যে আপনি সেই ক্যাটেগরিটিই বেছে নিবেন যে ক্যাটেগরিতে ভিডিও তৈরি করতে আপনি ভালোবাসেন। যেটি নিয়ে ভিডিও করলে আপনি কখনও বিরক্ত বোধ করবেননা কিংবা আপনি যেটি নিয়ে কোন সমস্যা ছাড়াই ভিডিওর পর ভিডিও তৈরি করে যেতে পারবেন।

এখানে সবধরণের ভিডিওরই মুল্য রয়েছে কিন্তু কিছুটা কম এবং বেশি। এখন আপনি যদি বলেন, কোন কোন ভিডিওতে ভালো ভিউস হয় কিংবা কোন ভিডিও মানুষ দেখে এমন ক্যাটেগরি বলুন। তাহলে আমি আপনাকে বলবো আপনি ইন্টারটেইনমেন্ট (হাসি-তামাশার) ভিডিও তৈরি করতে পারেন। কারণ মানুষ সারাদিন পরিশ্রমের পর রাত্রে একটু

বিশ্রাম নিয়ে মজার মজার ভিডিও দেখতে ভালোবাসে। এরপর আপনাকে যে বিষয়টি বলবো সেটি হলো ভাইরাল নিউজ, আপনি চাইলে বিভিন্ন নিউজ নিয়ে ভিডিও তৈরি করতে পারেন। কারণ কোন টপিক যখন ভাইরাল হয়, তখন সবাই সেই বিষয়টি গুগল কিংবা ইউটিউবে সার্চ দিয়ে থাকে। তাই আপনি চাইলে ভাইরাল টপিক নিয়েও কাজ করতে পারেন। এরপর আমি যে বিষয়টি বলবো সেটি হচ্ছে ইনফর্মেশন রিলেটেড ভিডিও। ধরুন কোন একটি অজানা বিষয় নিয়ে ভিডিও করলেন যা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। যেমন মায়াজাল, অদ্ভুত ১০ ইত্যাদি

[★★★]  কিভাবে ইউটিউব থেকে ইনকাম করা যায় এই খানে ক্লিক করে জানুন

চ্যানেলগুলি তৈরি করে থাকে। এছাড়াও আপনি মটিভেশনাল ভিডিও তৈরি করতে পারেন। কারণ অধিকাংশ মানুষ জীবনে কিছু ডিসিশন নিতে পারেনা কিংবা ডিপ্রেশনে থাকে। তাই আপনি চাইলেই আপনার ভিডিওর মাধ্যমে তাদের কিছু অনুপ্রেরণা দিতে পারেন।

তবে আমি যদি আপনাকে বলি গাছে উঠে ভিডিও করলে আপনি ভালো ভিউস পাবেন। আর আপনি যদি গাছে উঠতেই না পারেন কিংবা গাছে উঠতে ধরে হাত- পা ভাঙ্গেন তাহলে তো কোন লাভ হবেনা বরং ক্ষতি হবে। তখন একটি সময় গিয়ে আপনি ভালোভাবে ভিডিও না করার ফলে ভিউস তো পাবেনইনা বরং ইউটিউবিং করার ইচ্ছাটাই শেষ হয়ে যাবে।

তাই আমি বলবো আপনি যে বিষয়টি ভালো পারবেন কিংবা যে বিষয়টি আপনার ভালো লাগে সেই বিষয়ে ভিডিও তৈরি করুন। প্রথমদিকে ভিউস হবেনা এটাই স্বাভাবিক, কিন্তু আপনার মনোবল ঠিক রেখে ভিডিও দিয়েই যেতে পারবেন এবং একটি সময় দেখবেন আপনার ভিডিওতে অনেক ভালো ভিউস আসা শুরু করেছে। ইউটিউব থেকে শিখে ইউটিউবেই শিখাবেন। সো, সেটি নিয়েই ভিডিও করুন, যেটি নিয়ে আপনি কন্টিনিউয়াসলি ভিডিও করে যেতে পারবেন কোন সমস্যা ছাড়াই। আপনি দি ভালো গান গাইতে পারেন,
তাহলে তাই ভিডিও করুন।

আপনি যদি মাছ ধরতে ভালোবাসেন তাহলে তাই ভিডিও করুন। আপনি যদি রান্না করতে ভালোবাসেন তাহলে তাই করুন। আপনি সাইকেল চালাতে ভালো পারলে তাই করুন। আপনি যদি ঘুরতে ভালোবাসেন, তাহলে জ্লগ ভিডিও তৈরি করুন। বিভিন্ন দর্শনীয় স্থান ঘুরবেন এবং ভিডিও করবেন, এতে নিজেরও পরিদর্শন করা হলো

ইউটিউবিংও হলো। এইসব ভিডিওতে ভালো পরিমান (ভিউস হয়ে থাকে। আপনি যদি কাউকে কিছু শিখাতে
ভালোবাসেন, তাহলে তা নিয়েই ভিডিও তৈরি করুন। তবে কখনোই কারও ভিডিও চুরি করে ভিডিও তৈরি
করবেননা। এতে সাময়িক ভালোভাবে চললেও এই প্লাটফর্মে বেশিদিন টিকতে পারবেননা। আপনার
চ্যানেলটি এতে করে একটি সময় সাসপেন্ড হয়ে যাবেই।